Mosque

JHM Foundation has set up one mosque of their own alongside ten mosques; this initiative has been taken for the betterment as we intend.

Dakhin Sundorkathi Baitus Sanat Jam –e-Masjid, established during 1990 A.D. It started donating in the year 2000. It’s built on 7 percent land; the mosque will take complete care, providing Iftari during Ramzan.
Hairat Sheikh Tajuddin Ahmed (AS:) Jam-e-Masjid, established during 1951, donating since the year 2000.It’s built on 8 percent land.
Garirullah Jam-e-Masjid, established during 1870, has been granting since 2000. It’s built on a 5 percent land.
Sundarkathi Baitul Aajij Jam-e-Masjid, established during 1993, donating since year 2000. It’s built on a 20 percent land.
Hawladar Bati Jam-e-Masjid, established during 1958, donating since the year 2000. It’s built on a 14 percent land.
Baitul Mamur Jam-Masjid, established in the year 1995, started donating from 2000. It’s built on a 14 percent land.
Purbo shundorkathi Jam-e-Masjid was established in 2014; it has 5 percent land.

Benefits:

  • These Mosques will provide free iftar to the poor during Eid-ul_Fitr.
  • Every mosque will have an iftar each evening.
  • Clothes will be distributed to the needies from 27th roja.
  • Villagers living in mud-houses will be helped to build tin-houses.
  • During Eid-Ul-Azha as part of zakat they will be provided medical aid and financial help.
  • Financial help in marriage purposes will be provided.

দশটি মসজিদের পাশাপাশি তাদের নিজস্ব একটি মসজিদ স্থাপন করেছে JHM ফাউন্ডেশন ; আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই উদ্যোগটি উন্নতির জন্য নেওয়া হয়েছে।ো।
দক্ষিণ সুন্দরকাঠি বায়তুস সানাত জামে মসজিদ, ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ২০০০ সালে দান করা শুরু করে। এটি ৭ শতাংশ জমিতে নির্মিত; রমজান মাসে ইফতারি প্রদানের জন্য মসজিদ কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ দেখাশোনা করবে।
হয়রত শেখ তাজউদ্দীন আহমদ (আঃ) জামে মসজিদ, ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, ২০০০ সাল থেকে দান করা শুরু করে। এটি 8 শতাংশ জমির উপর নির্মিত।
১৮৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত গরিরুল্লাহ জামে মসজিদ ২০০০ সাল থেকে অনুদান দিয়ে আসছে। এটি ৫ শতাংশ জমির উপর নির্মিত।
সুন্দরকাঠি বায়তুল আজিজ জামে মসজিদ, ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, ২০০০ সাল থেকে দান করে আসছে। এটি ২০ শতাংশ জমির উপর নির্মিত।
হাওলাদার বাটি জামে মসজিদ, ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, ২০০০ সাল থেকে দান করে আসছে। এটি ১৪ শতাংশ জমির উপর নির্মিত।
১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, ২০০০ সাল থেকে অনুদান দেওয়া শুরু করে। এটি ১৪ শতাংশ জমির উপর নির্মিত।
পূর্ব শুন্দুরকাঠি জামে মসজিদ ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়; ৫ শতাংশ জমির উপর নির্মিত।
১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সুন্দরকাঠি বায়তুল আখান জামে মসজিদ সম্পূর্ণভাবে ফাউন্ডেশনের মালিকানাধীন। এটি ২৭ শতাংশ জমিতে নির্মিত।
সুন্দরকাঠি বায়তুল সালাম জামে মসজিদ, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, এটি ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট এবং মেঝে-টাইলস দান করেছিল।
সুন্দরকাঠি বায়তুল ইজ্জত জামে মসজিদ, ১৭৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, এটি ২০০০ সাল থেকে দান করা শুরু করে। এটি ১০ শতাংশ জমির উপর নির্মিত।

সুযোগ-সুবিধা সমূহ নিম্নরূপ:

  • এই মসজিদগুলো ঈদুল ফিতরে গরীবদের বিনামূল্যে ইফতার দেবে।
  • প্রতিটি মসজিদে প্রতি সন্ধ্যায় ইফতার করানো হবে।
  • ২৭ তারিখ থেকে অভাবীদের বস্ত্র বিতরণ করা হবে।
  • মাটির ঘরে বসবাসকারী গ্রামবাসীদের টিনের ঘর তৈরিতে সহায়তা করা হবে।
  • ঈদ-উল-আযহার সময় যাকাতের অংশ হিসেবে তাদের চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
  • বিবাহের উদ্দেশ্যে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে।

পরিশেষে, যেসকল শিক্ষার্থীরা, প্রতিষ্ঠান এর পরীক্ষাতে ভালো ফলাফল অর্জন করবে, তাদেরকে প্রতিমাসে বৃত্তি দেয়া হবে।